চার দশকের বেশি সময় ধরে বুকের ভেতর জমতে থাকা অনুভূতিগুলো গোটা গোটা হরফে
ঠাঁই পেল কাগজের চিঠিতে। ডাকপিয়ন বেলুনে চড়ে সেই চিঠি যাবে আকাশের
ঠিকানায়, মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদের কাছে। ঘড়িতে বিকেল চারটা ১৩ বাজতেই
হাজার হাজার চিঠি উড়েছে আকাশে।
১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধীদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বর থেকে আজ বুধবার বিকেলে শহীদদের উদ্দেশে লেখা চিঠি বেলুনে ওড়ানো হয়।
শহীদদের কাছে চিঠি পাঠানোর এই অভিনব উদ্যোগের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ আর অকৃত্রিম দেশপ্রেম। ২০১৩ সালে এসেও নতুন প্রজন্ম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করল ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের বিকেল চারটা ১৩ মিনিটকে। ওই দিন ঠিক এ সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এই শাহবাগের পাশের রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের কাছেই আজকের প্রজন্ম চত্বরের গণজাগরণ মঞ্চ।
মানবতাবিরোধীদের ফাঁসির দাবিতে ২০১৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শাহবাগে চলছে নতুন প্রজন্মের মুক্তিযুদ্ধ। ওই দিন কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এই রায় প্রত্যাখ্যান করে ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট নেটওয়ার্কের সদস্যরা কাদের মোল্লাসহ একাত্তরের মানবতাবিরোধী সব অপরাধীর ফাঁসির দাবিতে ওই দিন বিকেলে শাহবাগে অবস্থান নেন। এরপর এই আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করেন সব শ্রেণী ও পেশার মানুষ।
টানা ১৫ দিন পার করল এই আন্দোলন। রাত-দিন ২৪ ঘণ্টাই প্রতিবাদী স্লোগান, কবিতা আর গানে আগুন ঝরছে। তার পরও কারও চোখে-মুখে নেই এতটুকু ক্লান্তির ছাপ। সেখানে আজ শহীদদের উদ্দেশে লেখা চিঠি বেলুনে ওড়ানো হয়েছে। কাল বৃহস্পতিবার বিকেলে শাহবাগে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।
শহীদদের উদ্দেশে চিঠি
আজ বিকেল চারটা ১৩ মিনিটে রংবেরঙের হাজার হাজার বেলুনে শহীদদের উদ্দেশে লেখা চিঠি উড়িয়েছে শাহবাগের আন্দোলনকারীরা। একেকজন একটি বেলুনে করে শহীদদের উদ্দেশে চিঠি পাঠিয়েছেন। এ সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে শাহবাগের আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত হয়। মানবতাবিরোধী সব অপরাধীর বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ছিল সবার কণ্ঠে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ আন্দোলনকে করেছে আরও উদ্দীপ্ত।
সুরমা আক্তার নামের এক কলেজছাত্রী লিখেছেন,
‘প্রিয় শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ, তোমরা কেমন আছ? গণজাগরণ চত্বরে আমাদের এই আন্দোলন নিশ্চয়ই তোমরা দেখতে পাচ্ছ। তোমাদের জীবনের বিনিময়ে পাওয়া এই সোনার বাংলাকে যারা পাকিস্তানি জঙ্গিবাদে ভরিয়ে তুলেছিল, তারা এ দেশের রাজাকার। আমরা এই দেশে, তোমাদেরই সোনার বাংলায় তাদের ফাঁসি দিয়েই ছাড়ব। তোমরা জেনে খুশি হবে যে, তোমাদের মতো আজও অনেক সাহসী যোদ্ধা আছে, যারা বাংলার জন্য প্রাণ দিচ্ছে। রাজীব তেমনই একজন যোদ্ধা। আমরা ১৯৭১ সালে ছিলাম না। কিন্তু আজ আমরা সবাই এক হয়েছি রাজাকারদের ফাঁসির দাবিতে। আমাদের জয় হবেই হবে। ইনশাআল্লাহ।
ইতি তোমাদের উত্তরসূরি সুরমা আক্তার।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কাজল লিখেছেন,
‘প্রিয় শহীদেরা, মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা ওই আকাশ থেকে দেখেছি তোমাদের বীরত্ব। এখন ওই দূর আকাশে বসে আমাদের যুদ্ধ দেখ। তোমরা স্বদেশ দিয়েছ, আমরা দেব রাজাকারমুক্ত স্বদেশ।
ইতি কাজল’
অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সোচ্চারের আহ্বান
রাজধানীর শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে চলমান আন্দোলন নিয়ে জামায়াত-শিবিরের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। আজ বুধবার আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে এ আহ্বান জানানো হয়।
শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ থেকে বলা হয়, ‘জামায়াত-শিবির ফেসবুক ও ব্লগে এই আন্দোলন নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আপনারা সোচ্চার হোন। তাদের প্রতিহত করুন।’
তারুণ্যের প্রতিবাদ আজ বুধবার ১৬তম দিনে গড়াল। আজও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শাহবাগে বাড়তে থাকে আন্দোলনকারীদের ভিড়। নানা স্লোগানে মুখরিত হয় শাহবাগ।
স্লোগানে স্লোগানে মুখর প্রজন্ম চত্বর
‘তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনা’; ‘একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’; ‘সাম্প্রদায়িকতার আস্তানা, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’; ‘জ্বালো জ্বালো, আগুন জ্বালো’; ‘পাকিস্তানের প্রেতাত্মারা, পাকিস্তানেই ফিরে যা’; ‘বাংলাদেশের মাটিতে জামায়াত-শিবিরের ঠাঁই নাই’; ‘আমাদের ধমনিতে শহীদের রক্ত, এই রক্ত কোনো দিনও বৃথা যেতে দেব না’; ‘আর কোনো দাবি নাই, রাজাকারের ফাঁসি চাই’; ‘জামায়াতে ইসলাম, মেড ইন পাকিস্তান’; ‘এসো ভাই এসো বোন, গড়ে তুলি আন্দোলন’, ‘জয় বাংলা’—এসব স্লোগানে মুখর শাহবাগ চত্বর।
সবচেয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছে ‘ক-তে কাদের মোল্লা, তুই রাজাকার তুই রাজাকার’; ‘ক-তে কামারুজ্জামান, তুই রাজাকার তুই রাজাকার’; ‘গ-তে গোলাম আযম, তুই রাজাকার তুই রাজাকার’; ‘স-তে সাকা, তুই রাজাকার তুই রাজাকার’; ‘ম-তে মুজাহিদ, তুই রাজাকার তুই রাজাকার’; ‘ন-তে নিজামী, তুই রাজাকার তুই রাজাকার’; ‘স-তে সাঈদী, তুই রাজাকার তুই রাজাকার’ স্লোগান। প্রতিনিয়তই যোগ হচ্ছে নতুন নতুন স্লোগান।
সংহতি প্রকাশ
আজ বেলা পৌনে দুইটার দিকে শিল্পী সুবীর নন্দী, এন্ড্রু কিশোর, কনকচাঁপা, খুরশীদ আলম, সুজিত মোস্তফা, সুরকার আলাউদ্দীন আলী প্রমুখ প্রজন্ম চত্বরের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
এর আগে ঢাকার ইমপেরিয়াল কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন আজ তারুণ্যের এই প্রতিবাদী সমাবেশের সঙ্গে সংহতি জানিয়েছে।
১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধীদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বর থেকে আজ বুধবার বিকেলে শহীদদের উদ্দেশে লেখা চিঠি বেলুনে ওড়ানো হয়।
শহীদদের কাছে চিঠি পাঠানোর এই অভিনব উদ্যোগের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ আর অকৃত্রিম দেশপ্রেম। ২০১৩ সালে এসেও নতুন প্রজন্ম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করল ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের বিকেল চারটা ১৩ মিনিটকে। ওই দিন ঠিক এ সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এই শাহবাগের পাশের রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের কাছেই আজকের প্রজন্ম চত্বরের গণজাগরণ মঞ্চ।
মানবতাবিরোধীদের ফাঁসির দাবিতে ২০১৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শাহবাগে চলছে নতুন প্রজন্মের মুক্তিযুদ্ধ। ওই দিন কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এই রায় প্রত্যাখ্যান করে ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট নেটওয়ার্কের সদস্যরা কাদের মোল্লাসহ একাত্তরের মানবতাবিরোধী সব অপরাধীর ফাঁসির দাবিতে ওই দিন বিকেলে শাহবাগে অবস্থান নেন। এরপর এই আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করেন সব শ্রেণী ও পেশার মানুষ।
টানা ১৫ দিন পার করল এই আন্দোলন। রাত-দিন ২৪ ঘণ্টাই প্রতিবাদী স্লোগান, কবিতা আর গানে আগুন ঝরছে। তার পরও কারও চোখে-মুখে নেই এতটুকু ক্লান্তির ছাপ। সেখানে আজ শহীদদের উদ্দেশে লেখা চিঠি বেলুনে ওড়ানো হয়েছে। কাল বৃহস্পতিবার বিকেলে শাহবাগে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।
শহীদদের উদ্দেশে চিঠি
আজ বিকেল চারটা ১৩ মিনিটে রংবেরঙের হাজার হাজার বেলুনে শহীদদের উদ্দেশে লেখা চিঠি উড়িয়েছে শাহবাগের আন্দোলনকারীরা। একেকজন একটি বেলুনে করে শহীদদের উদ্দেশে চিঠি পাঠিয়েছেন। এ সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে শাহবাগের আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত হয়। মানবতাবিরোধী সব অপরাধীর বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ছিল সবার কণ্ঠে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ আন্দোলনকে করেছে আরও উদ্দীপ্ত।
সুরমা আক্তার নামের এক কলেজছাত্রী লিখেছেন,
‘প্রিয় শহীদ মুক্তিযোদ্ধাগণ, তোমরা কেমন আছ? গণজাগরণ চত্বরে আমাদের এই আন্দোলন নিশ্চয়ই তোমরা দেখতে পাচ্ছ। তোমাদের জীবনের বিনিময়ে পাওয়া এই সোনার বাংলাকে যারা পাকিস্তানি জঙ্গিবাদে ভরিয়ে তুলেছিল, তারা এ দেশের রাজাকার। আমরা এই দেশে, তোমাদেরই সোনার বাংলায় তাদের ফাঁসি দিয়েই ছাড়ব। তোমরা জেনে খুশি হবে যে, তোমাদের মতো আজও অনেক সাহসী যোদ্ধা আছে, যারা বাংলার জন্য প্রাণ দিচ্ছে। রাজীব তেমনই একজন যোদ্ধা। আমরা ১৯৭১ সালে ছিলাম না। কিন্তু আজ আমরা সবাই এক হয়েছি রাজাকারদের ফাঁসির দাবিতে। আমাদের জয় হবেই হবে। ইনশাআল্লাহ।
ইতি তোমাদের উত্তরসূরি সুরমা আক্তার।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কাজল লিখেছেন,
‘প্রিয় শহীদেরা, মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা ওই আকাশ থেকে দেখেছি তোমাদের বীরত্ব। এখন ওই দূর আকাশে বসে আমাদের যুদ্ধ দেখ। তোমরা স্বদেশ দিয়েছ, আমরা দেব রাজাকারমুক্ত স্বদেশ।
ইতি কাজল’
অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সোচ্চারের আহ্বান
রাজধানীর শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে চলমান আন্দোলন নিয়ে জামায়াত-শিবিরের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। আজ বুধবার আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে এ আহ্বান জানানো হয়।
শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ থেকে বলা হয়, ‘জামায়াত-শিবির ফেসবুক ও ব্লগে এই আন্দোলন নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আপনারা সোচ্চার হোন। তাদের প্রতিহত করুন।’
তারুণ্যের প্রতিবাদ আজ বুধবার ১৬তম দিনে গড়াল। আজও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শাহবাগে বাড়তে থাকে আন্দোলনকারীদের ভিড়। নানা স্লোগানে মুখরিত হয় শাহবাগ।
স্লোগানে স্লোগানে মুখর প্রজন্ম চত্বর
‘তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনা’; ‘একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’; ‘সাম্প্রদায়িকতার আস্তানা, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’; ‘জ্বালো জ্বালো, আগুন জ্বালো’; ‘পাকিস্তানের প্রেতাত্মারা, পাকিস্তানেই ফিরে যা’; ‘বাংলাদেশের মাটিতে জামায়াত-শিবিরের ঠাঁই নাই’; ‘আমাদের ধমনিতে শহীদের রক্ত, এই রক্ত কোনো দিনও বৃথা যেতে দেব না’; ‘আর কোনো দাবি নাই, রাজাকারের ফাঁসি চাই’; ‘জামায়াতে ইসলাম, মেড ইন পাকিস্তান’; ‘এসো ভাই এসো বোন, গড়ে তুলি আন্দোলন’, ‘জয় বাংলা’—এসব স্লোগানে মুখর শাহবাগ চত্বর।
সবচেয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছে ‘ক-তে কাদের মোল্লা, তুই রাজাকার তুই রাজাকার’; ‘ক-তে কামারুজ্জামান, তুই রাজাকার তুই রাজাকার’; ‘গ-তে গোলাম আযম, তুই রাজাকার তুই রাজাকার’; ‘স-তে সাকা, তুই রাজাকার তুই রাজাকার’; ‘ম-তে মুজাহিদ, তুই রাজাকার তুই রাজাকার’; ‘ন-তে নিজামী, তুই রাজাকার তুই রাজাকার’; ‘স-তে সাঈদী, তুই রাজাকার তুই রাজাকার’ স্লোগান। প্রতিনিয়তই যোগ হচ্ছে নতুন নতুন স্লোগান।
সংহতি প্রকাশ
আজ বেলা পৌনে দুইটার দিকে শিল্পী সুবীর নন্দী, এন্ড্রু কিশোর, কনকচাঁপা, খুরশীদ আলম, সুজিত মোস্তফা, সুরকার আলাউদ্দীন আলী প্রমুখ প্রজন্ম চত্বরের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
এর আগে ঢাকার ইমপেরিয়াল কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন আজ তারুণ্যের এই প্রতিবাদী সমাবেশের সঙ্গে সংহতি জানিয়েছে।

No comments:
Post a Comment