চার দশক আগে বাঙালি জাতির মুক্তির সংগ্রামকে দমাতে ব্যাপক গণহত্যা, খুন, ধর্ষণ, লুটপাটের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক রুকন আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির আদেশ হয়েছে।
বিচারপতি ওবায়দুল হাসান নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২
সোমবার ১১২ পৃষ্ঠার এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করে। একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের
বিচারে গঠিত ট্রাইব্যুনালে এটিই প্রথম রায়।
পলাতক আযাদের বিরুদ্ধে আনা আটটি অভিযোগের মধ্যে সাতটিতে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল প্রধান।
এর মধ্যে বোয়ালমারী থানার কলারন গ্রামের সুধাংশু মোহন রায়, সালথা থানার (সাবেক নগরকান্দা) পুরুরা নমপাড়া গ্রামের মাধব চন্দ্র বিশ্বাস ও ফুলবাড়িয়া গ্রামের হিন্দুপাড়ার চিত্তরঞ্জন দাসকে গুলি করে হত্যা এবং বোয়ালমারী থানার হাসামদিয়া গ্রামে লুটপাট- অগ্নিসংযোগের পর গণহত্যার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় আযাদকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।
এছাড়া ফরিদপুর শহরের খাবাশপুরের রণজিৎ নাথ ওরফে বাবু নাথকে ধরে নিয়ে নির্যাতন, নতিবদিয়া গ্রামে দুই নারীকে ধর্ষণ এবং সালথা থানার উজিরপুর বাজারপাড়া গ্রামের এক হিন্দু তরুণীকে অপহরণ ও নির্যাতনের ঘটনায় অপরাধ প্রমাণিত হলেও অন্য চার অভিযোগে ফাঁসির আদেশ হওয়ায় এ তিন ঘটনায় নতুন কোনো শাস্তির আদেশ দেয়নি আদালত।
তবে আলফাডাঙ্গা থেকে ধরে এনে আবু ইউসুফ নামের এক ব্যক্তির ওপর নির্যাতন চালানোর অভিযোগ প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে না পারায় এই অভিযোগ থেকে আযাদকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
আযাদ মামলার শুরু থেকেই পলাতক থাকায় এই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হবে না বলে জানিয়েছেন তার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের নিয়োগ করা আইনজীবী মো. আবদুস শুকুর খান।
ট্রাইব্যুনালের রেজিষ্ট্রার এ কে এম নাসিরউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, রায়ের এক মাসের মধ্যে আপিল করার সুযোগ থাকলেও আত্মসমর্পণ না করলে বা ধরা না পড়লে আযাদ সে সুযোগ পাবেন না।
ট্রাইব্যুনালের নির্দেশনা অনুযায়ী আযাদের ফাঁসির আদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শককে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর সাইদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, “ঐতিহাসিক এই রায়ে জাতির আশা পূরণ হয়েছে।”
২০০৯ সালের ২৫ মার্চ এই বিচার প্রক্রিয়া শুরুর পর দুই ট্রাইব্যুনালে এ পর্যন্ত মোট নয়টি মামলার কার্যক্রম শুরু হয়, যার মধ্যে আযাদের মামলার রায় হলো এবং আরো দুটি মামলা রায়ের পর্যায়ে রয়েছে।
পলাতক আযাদের বিরুদ্ধে আনা আটটি অভিযোগের মধ্যে সাতটিতে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল প্রধান।
এর মধ্যে বোয়ালমারী থানার কলারন গ্রামের সুধাংশু মোহন রায়, সালথা থানার (সাবেক নগরকান্দা) পুরুরা নমপাড়া গ্রামের মাধব চন্দ্র বিশ্বাস ও ফুলবাড়িয়া গ্রামের হিন্দুপাড়ার চিত্তরঞ্জন দাসকে গুলি করে হত্যা এবং বোয়ালমারী থানার হাসামদিয়া গ্রামে লুটপাট- অগ্নিসংযোগের পর গণহত্যার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় আযাদকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।
এছাড়া ফরিদপুর শহরের খাবাশপুরের রণজিৎ নাথ ওরফে বাবু নাথকে ধরে নিয়ে নির্যাতন, নতিবদিয়া গ্রামে দুই নারীকে ধর্ষণ এবং সালথা থানার উজিরপুর বাজারপাড়া গ্রামের এক হিন্দু তরুণীকে অপহরণ ও নির্যাতনের ঘটনায় অপরাধ প্রমাণিত হলেও অন্য চার অভিযোগে ফাঁসির আদেশ হওয়ায় এ তিন ঘটনায় নতুন কোনো শাস্তির আদেশ দেয়নি আদালত।
তবে আলফাডাঙ্গা থেকে ধরে এনে আবু ইউসুফ নামের এক ব্যক্তির ওপর নির্যাতন চালানোর অভিযোগ প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে না পারায় এই অভিযোগ থেকে আযাদকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
আযাদ মামলার শুরু থেকেই পলাতক থাকায় এই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হবে না বলে জানিয়েছেন তার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের নিয়োগ করা আইনজীবী মো. আবদুস শুকুর খান।
ট্রাইব্যুনালের রেজিষ্ট্রার এ কে এম নাসিরউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, রায়ের এক মাসের মধ্যে আপিল করার সুযোগ থাকলেও আত্মসমর্পণ না করলে বা ধরা না পড়লে আযাদ সে সুযোগ পাবেন না।
ট্রাইব্যুনালের নির্দেশনা অনুযায়ী আযাদের ফাঁসির আদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শককে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর সাইদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, “ঐতিহাসিক এই রায়ে জাতির আশা পূরণ হয়েছে।”
২০০৯ সালের ২৫ মার্চ এই বিচার প্রক্রিয়া শুরুর পর দুই ট্রাইব্যুনালে এ পর্যন্ত মোট নয়টি মামলার কার্যক্রম শুরু হয়, যার মধ্যে আযাদের মামলার রায় হলো এবং আরো দুটি মামলা রায়ের পর্যায়ে রয়েছে।

No comments:
Post a Comment